rss

মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০০৮

ইভ


প্রথাগত এক প্রেমিকের কাছে একাকী
সারাদিন এবং সারারাত্রি
তপ্ত মরুময়-
প্রেমাস্পদের বিহনে
কাটে অথবা কাটেনা
পাথর সময়;
সুরভী মাখে গায়ে বুঝিবা ব্যর্থতার,
উর্ণনাভ জাল বুনে কষ্টের স্বরলিপি তার।

প্রেয়সীর আঙুল যেন এক একটি
প্রবাহিত ঝর্ণাধারার স্পর্শ,
স্বর্গীয় নহর, কুসুম গরম।
আহ! স্পর্শে স্পর্শে আনন্দ বারেবার!
এক সুতীব্র আবেগ গ্রাস করে যখন
নিজস্বতা হারিয়ে বিলীন আলিঙ্গনাবদ্ধ আমিত্ব!
এক একটি চুম্বন, এক একটি সম্মতির সিঁড়ি
অতিক্রম করে যখন আহবান করে--
তীব্র আনন্দ খুবলে খায় হৃদয়ের লাল,
প্রবাহিত উষ্ণ রক্তস্রোত, জ্বলন্ত লাভা।

প্রেয়সীর আঁখি পল্লব যখন পিটপিট করে
হাসে আনন্দে এবং পরিতৃপ্তিতে,
প্রেমিক মনের আনন্দ অপ্রকাশিতই থেকে যায়
সমস্ত অনুভূতি প্রকাশের পরেও একান্ত ভাষায়।
কানে ভেসে আসে স্বর্গীয় ঐকতান... চাই আনন্দ চিরকাল...

হায়! নিষ্ঠুরতা আমাদের প্রেমের সঙ্গে কখন কিভাবে যেন
অঙ্গাঅঙ্গি জড়িয়ে যায়, যেমন জলে মিশে লবণ--স্বচ্ছ দ্রবণ;
নেমে আসে শাস্তি -- বিচ্ছেদের, হতাশায় নিমজ্জিত প্রাণ।

জানা হলো না,
আদিম সর্প দিয়েছিলো
কী কুটিল প্ররোচনা!

- - -
মাইজদী, নোয়াখালী
৪ নভেম্বর, ২০০৮


* ছবিসূত্র

ফেইসবুকে যোগ করুন

সাম্প্রতিক লেখা

সাম্প্রতিক মন্তব্য