rss

জালছেঁড়া নদী

জালছেঁড়া নদী
আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০০৯। প্রকাশক: ভাষাচিত্র, ৩য় তলা, আজিজ সুপার মার্কেট, ঢাকা।

প্রান্তজন

প্রান্তজন
শহীদুল ইসলাম মুকুল

বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০০৮

রাতের কার্ণিভালে

আকাশ উন্মুক্ত হয় রাতের কার্ণিভালে
নীল শাড়ী খুলে সাজে কৃষ্ণ নগ্নিকা
মিটিমিটি হাসে সত্তর হাজার মাতাল।




ঢাকা
১২ এপ্রিল, ২০০৮

ফেইসবুকে যোগ করুন

এসেছে নববর্ষ

সময়ের সুদীর্ঘ পথ বেয়ে
মহাকালের কার্ণিশ ধরে
আবার এসেছে নতুন বছর।
তিক্ততার, ঘৃণার, কষ্টের, সুখ-দূঃখের
বছরটিকে পেছনে ফেলে
উত্তপ্ত গ্রীষ্ম শেষে দখিনা বাতাসে ভর করে আসা মেঘের মত
আনকোরা নতুন আশা নিয়ে এসেছে নববর্ষ।

এ বছরও হয়তো কাটবে পৃথিবী জুড়ে মানবতার অপমানে,
ক্ষুধায়, যন্ত্রণায়, মৃত্যুতে,
নেতাদের ফাঁকা বুলিতে;
তবুও বেঁচে আছি
তবুও হয়তো বেঁচে থাকবো
প্যান্ডোরার বাক্স আঁকড়ে ধরে
অন্তহীন আশা নিয়ে..



---
লেখাটি অনেক আগের। যখন এইচএসসি পড়তাম, তখনকার।মূল লেখাটি এই মুহুর্তে খুঁজে পাচ্ছি না। তবে এখনো মুখস্ত আছে! সেই সময়ের অনেক লেখাই কি করে যেন মনে আছে এখনো। যদিও আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না!!! :P

ফেইসবুকে যোগ করুন

একদা ঘুমিয়ে ছিলাম (উৎসর্গ: রাশেদ)

একদা ঘুমিয়ে ছিলাম;
ভোরের প্রতীক্ষায়
ঘুম ভেঙেছিলো বারে বারে,
আবার ঘুমিয়ে পড়েছিলাম নিয়মিত বিরতিতে।

ঘুম ভাঙছিলো বারে বারে
ভোরের আলো দেখবো বলে;
পর্দা সরানোই ছিলো,
জানালায় আলোর অনুপস্থিতিতে
আবারও ঘুমিয়ে পড়ছিলাম নিয়মিত বিরতিতে।

একদা ঘুমিয়ে ছিলাম দীর্ঘক্ষণ
আলোর অনুপস্থিতিতে
চোখ বুজে আসছিলো বারে বারে।

একদা আমার ভোর হয়েছিলো অনেক বেলা গড়িয়ে;
ঘন মেঘের আড়ালে টেরই পাইনি কখন হয়েছে ভোর!
বারে বারে চোখ মেলে ফর্সা আলো না দেখে
ঘুমিয়ে পড়ছিলাম নিয়মিত বিরতিতে...


ঢাকা
৯ এপ্রিল, ২০০৮

ফেইসবুকে যোগ করুন